হাতিয়ায় ট্রলার ডুবি: আরও এক শিশুর লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ৭

হাতিয়ায় ট্রলার ডুবি: আরও এক শিশুর লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ৭

ছবি: প্রতীকী নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীতে বর যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবির ঘটনায় মোহাম্মদ হাসান নামে ৭ বছরের আরও এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত নববধূসহ ৮ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ৬ শিশুসহ এখনও নিখোঁজ রয়েছে ৭ যাত্রী। শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে টাংকিরখাল এলাকার মেঘনা নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাসান নলেরচরের আল আমিন গ্রামের থানারহাট বাজার সংলগ্ন এলাকার আব্দুল কাদেরের ছেলে। ঘটনায় এখনও নিখোঁজ যাত্রীরা হচ্ছেন, হাতিয়ার নলেরচর (চানন্দি) ইউনিয়নের আল আমিন গ্রামের নাছির উদ্দিনের স্ত্রী জাকিয়া বেগম (৫৫), একই গ্রামের নার্গিস বেগম (৪), রুবেল হোসেনের মেয়ে হালিমা বেগম (৫), পূর্ব আজিমপুর গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের মেয়ে নিহা বেগম (১), ভয়ারচর গ্রামের ইলিয়াস উদ্দিনের ছেলে আমির হোসেন (২), ভোলার মনপুরার কলাতলী গ্রামের মাইন উদ্দিনের মেয়ে লামিয়া বেগম (৩) ও একই গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে আলিফ উদ্দিন (২)। কোস্টগার্ড হাতিয়ার স্টেশন অফিসার লে. বিশ্বজিৎ বড়ুয়া লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ১৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকালে বর যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবির পর থেকে নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড হাতিয়ার দু’টি ও ভোলার একটি ডুবুরিদল সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। উদ্ধার অভিযান চলাকালে শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে টাংকিরখাল এলাকার মেঘনা থেকে ভাসমান অবস্থায় শিশু হাসানের লাশ উদ্ধার করা হয়। অপর নিখোঁজদের উদ্ধারে কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দুপুরে ভোলার মনপুরা উপজেলার কলাতলী গ্রামের বেলাল মিস্ত্রীর ছেলে ফরিদ উদ্দিন বিয়ে করতে হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের আল আমিন গ্রামে আসে। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর বিকাল ৩টার দিকে ৭০-৭৫ জন যাত্রী নিয়ে ট্রলারযোগে চানন্দি ঘাট থেকে মনপুরার কলাতলী গ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে। পথে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে মেঘনা নদীর টাংকিরখাল-ঘাসিয়ারচরের মাঝামাঝি এলাকায় তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে তাদের ট্রলারটি উল্টে যায়। এদিকে, এ ঘটনায় শুক্রবার পর্যন্ত নববধূসহ ৮ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ইউএইচ/

সুত্রঃ যমুনা টিভি

  • শেয়ার করুন
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com