শোয়ার্জনেগারের বিবাহ বিচ্ছেদ, নেপথ্যে পরকীয়া

শোয়ার্জনেগারের বিবাহ বিচ্ছেদ, নেপথ্যে পরকীয়া

ছবি: সংগৃহীত

প্রায় ১০ বছর ধরে আলাদা থাকার পর অবশেষে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করলেন হলিউড তারকা আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার ও সাহিত্যিক মারিয়া শ্রিভার।
১৯৮৬ সালে মারিয়া শ্রিভারের সঙ্গে বিয়ে হয় আর্নল্ড শোয়ার্জনেগারের। ১৯৭৭ সালে একটি টেনিসের ইভেন্টে তাদের আলাপ হয়। এর ৯ বছর পর তারা বিয়ে করেন। ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৭ সালের মধ্যে তাঁদের চার সন্তান ক্যাথারিন শোয়ার্জনেগার, ক্রিস্টিনা শোয়ার্জনেগার, প্যাট্রিক শোয়ার্জনেগার ও ক্রিস্টোফার শোয়ার্জনেগারের জন্ম হয়। এরপর ২০০৩ থেকে ২০১১ পর্যন্ত যখন দু’বার ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর ছিলেন আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার, সেই সময়ও তার সঙ্গে মারিয়া শ্রিভারের সম্পর্ক ভাল ছিল। কিন্তু ‘দ্য টার্মিনেটর’-খ্যাত অভিনেতা প্রকাশ্যে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করে নেয়ার পরেই স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরে।
আরও পড়ুন: ২০২১ সাল মাতানো বলিউডের সেরা গানের লিস্ট
২০১১ সালের মে মাসে জানা যায়, আর্নল্ড শোয়ার্জনেগারের সঙ্গে ১৯৯৭ সালে তাদের বাড়ির পরিচারিকা মাইলড্রেড প্যাটি বাইনার বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই নারীর সাথে এই অভিনেতার একটি সন্তানও ছিল। ওই সন্তানের নাম জোশেফ বাইনা। এরপর থেকেই আলাদা থাকতে শুরু করেন মারিয়া শ্রিভার।
আলাদা থাকা শুরু করার সময় এক বিবৃতিতে নিজের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করে নিয়ে আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার জানিয়েছিলেন, আমার বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের লোকজনের রাগ, হতাশা বুঝতে পারছি। আমার কোনো সাফাই বা অজুহাতই দেয়ার নেই। আমি সবাইকে যে আঘাত করেছি, তার সব দায়ই নিচ্ছি। আমি মারিয়া, সন্তানদের কাছে এবং পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি। আমি সত্যিই দুঃখিত।
মারিয়া শ্রিভার এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, এটা আমার কাছে হৃদয়বিদারক ও কষ্টের মুহূর্ত। একজন মা হিসেবে আমি সন্তানদের কথা ভেবে উদ্বিগ্ন।
আরও পড়ুন: কেমন প্রেমিক চান মিস ইউনিভার্স?
সে বছরের জুলাইয়েই বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করেন মারিয়া। তিনি আর্নল্ড শোয়ার্জনেগারের কাছ থেকে ভরণপোষণের অর্থও দাবি করেন। এতদিন পর তাদের বিচ্ছেদ সম্পন্ন হলো।

সুত্রঃ যমুনা টিভি

  • শেয়ার করুন
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com