ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মিরের বিষয়ে জাতিসঙ্ঘের উদ্বেগ | Ekushey Bangla | একুশে বাংলা

ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মিরের বিষয়ে জাতিসঙ্ঘের উদ্বেগ

সাংবিধানিক বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়ার পর ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মিরের  চলমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসঙ্ঘ। গত বৃহস্পতিবার জাতিসঙ্ঘের এক মুখপাত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এ খবর জানিয়েছে বিবিসি। ৩৭০ ও ৩৫-এ ধারার বিলোপ এবং রাজ্য থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হওয়া জম্মু ও কাশ্মির নিয়ে ভারত সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের দুই দিন পর জাতিসঙ্ঘ এ উদ্বেগ প্রকাশ করে। কাশ্মির ইস্যুতে ভারতের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বেড়েই চলছে। এবার জাতিসঙ্ঘের উদ্বেগ প্রকাশে কাশ্মির পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক ইস্যু হয়ে উঠল।
জাতিসঙ্ঘের মুখপাত্র বলেন, আমরা খবর পেয়েছি, এ অঞ্চলে রাজনৈতিক বিরোধী এবং প্রতিবাদকারীদের নির্বিচারে আটক করে শাস্তি দেয়া হচ্ছে। যারা বিক্ষোভ করছে, তারা বিভিন্নভাবে হত্যার শিকার এবং গুরুতর আহত হচ্ছেন। জাতিসঙ্ঘ কাশ্মিরে বর্তমান পরিস্থিতিকে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভয়াবহ বলে উল্লেখ করেছে।
ভারতের বিজেপি শাসিত সরকার কাশ্মিরের এ বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ার আগ থেকে অর্থাৎ গত রোববার রাত থেকেই পুরো এলাকা ছিল যোগাযোগবিচ্ছিন্ন। অবরুদ্ধ হয়ে আছে হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলটির জনসাধারণ। সেখানে চলছে কারফিউ। দোকান, স্কুল কলেজ সব বন্ধ। মোবাইল, ল্যান্ডলাইন ফোন, ইন্টারনেট পরিষেবা, এমনকি কেবল টিভিও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। রাজ্যের রাজধানী শ্রীনগরে টহলরত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা কাউকে বাড়ির বাইরে বের না হতে সতর্ক করে দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো খবরে জানায়, ভারতের অন্যান্য অংশে থাকা কাশ্মিরিরা নিজেদের পরিবারে যেতে পারছে না।
গত রোববার থেকেই কাশ্মির পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। কাশ্মিরের ব্যাপারে নিজেদের সিদ্ধান্ত সুচারুরূপে বাস্তবায়নে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। এর পরপরই গত সোমবার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যসভায় বিরোধীদের তুমুল বাধা ও হট্টগোলের মুখে কাশ্মিরকে বিশেষ মর্যাদা দেয়া ৩৭০ ধারা রদের ঘোষণা দেন। একইসাথে রাজ্যটি ভেঙে কেন্দ্রের শাসনের আওতায় আনে বিজেপি সরকার। সব মিলিয়ে দেশটির সরকারের সাম্প্রতিক এসব সিদ্ধান্তে এ অঞ্চলে ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন’ পরিস্থিতি আরো বাড়বে বলে মনে করছে জাতিসঙ্ঘ।
বিবিসি জানিয়েছে, রোববার থেকে গৃহবন্দী থাকলেও সোমবার রাতে গ্রেফতার দেখানো হয় অঞ্চলটির সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি ও ওমর আবদুুল্লাহকে। তারা ছাড়াও কাশ্মিরের আরো অনেক রাজনৈতিক নেতাকে আটক করা হয়েছে।
এ দিকে কারফিউ দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করা হলেও স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে বিবিসি জানিয়েছে, অঞ্চলটির মানুষ প্রতিবাদী বিক্ষোভে উত্তাল। কিছু কিছু জায়গায় এরা ভারতীয় সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করেছে।
নিরাপত্তা পরিষদে জানাল পাকিস্তান : ভারতের সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপের ব্যাপারে জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে পাকিস্তান। জাতিসঙ্ঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি মালিহা লোদি সংস্থাটির সদস্য অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রদূতদের সাথেও কথা বলেছেন
পাকিস্তানের টিভি চ্যানেল জিও-নিউজ জানিয়েছে, জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব অনুপস্থিত থাকায় থাকায় মালিহা লোদি গতকাল নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান সভাপতি পোল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত জোয়ানা ওনেকার সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি ভারতের কর্মকাণ্ডকে ‘কাশ্মিরিদের মর্যাদা হানিকর’ বলে উল্লেখ করেন।
পাকিস্তানি এ দূত ভারতের ‘বেআইনি ও অস্থিতিশীল’ কর্মকাণ্ডকে প্রত্যাহার করার দাবি জানাতে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিও আহ্বান জানান। একই সাথে ভারত যাতে জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুল্যুশন মেনে চলে তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে, জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে লেখা চিঠিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি জম্মু-কাশ্মিরের সাংবিধানিক মর্যাদা বাতিলসহ উপত্যকায় সেনা বাড়ানো এবং কাশ্মিরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রীদের গৃহবন্দী করা নিয়ে উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিষয়ে নিজেদের মতামত জানিয়েছেন।
চিঠিতে মাহমুদ কোরেশি বলেন, কাশ্মিরি জনগণের সাংবিধানিক অধিকার হরণ করে ভারত সরকার উপত্যকাটির নাগরিকদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালাচ্ছে। এ ছাড়া ভারতীয় বাহিনী কাশ্মির সীমান্তে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বর্ডার অ্যাকশন টিমের সদস্যদের টার্গেট করে গুলি চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বৈঠক : এ দিকে গতকাল বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নিজ কার্যালয়ে দেশটির ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিটির সাথে বৈঠকে বসেন। এতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, মানবাধিকার মন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বাহিনীগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা জম্মু-কাশ্মিরে ভারতের অবৈধ সিদ্ধান্ত এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। এ বৈঠকে ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন, ভারতের সাথে বাণিজ্য সংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় চুক্তি বাতিল, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিবেচনা ইত্যাদির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের পদক্ষেপ : কাশ্মির ইস্যুতে ভারত সরকারের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে পাকিস্তান। গত বুধবার ইসলামাবাদে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে পাকিস্তান। একই সাথে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকেও তারা ডেকে নেয়। এ দিকে পাক তথ্য সম্প্রচার বিভাগ ঘোষণা দিয়েছে, পাকিস্তানে বলিউডের কোনো চলচ্চিত্র দেখানো যাবে না। পাশাপাশি ভারতের সাথে সবরকম সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ছিন্ন করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে ভারতের প্রতিবেশী দেশটি। কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পর গতকাল দুই দেশের মধ্যে চলা সমঝোতা এক্সপ্রেসের পরিষেবাও বাতিল করে দেয় পাকিস্তান। পাশাপাশি দিল্লির সাথে সব ধরনের বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্নের সিদ্ধান্তও নিয়েছে তারা।
গুলাম নবি আজাদকে কাশ্মিরে ঢুকতে বাধা : গতকাল কাশ্মিরে দলীয় নেতাদের সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলেন কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ। কিন্তু তাকে কাশ্মিরে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। এয়ারপোর্ট থেকেই তাকে বের হতে দেয়া হয়নি। রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সংসদ সদস্য গুলাম নবি আজাদের সাথে ছিলেন জম্মু ও কাশ্মিরে কংগ্রেস চিফ গুলাম আহমেদ মীরও। তাদের দু’জনকেই আটকে দেয়া হয়েছে শ্রীনগর এয়ারপোর্টে। নিরাপত্তার কারণেই তাদের ঢুকতে দেয়া হয়নি বলে জানা গিয়েছে।
সতর্কতা সাত রাজ্যে : ভারতের গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, যেকোনো সময় পুলওয়ামার মতো হামলা হতে পারে ভারতের কয়েকটি রাজ্যে। সে কারণে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে সাতটি রাজ্যে। অন্যান্য রাজ্যগুলোকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। জানা গেছে দিল্লি, রাজস্থান, পাঞ্জাব, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক ও অন্ধ্রপ্রদেশে এই হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ভারতের গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া খবরের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হচ্ছে, সেনা, পুলিশ ও প্রশাসনের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে। মূলত ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন এই হামলা হতে পারে যেকোনো জায়গায়। বিমানবন্দরগুলোতেও কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মোট ১৭টি বিমানবন্দরে জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট।
ডেভিস কাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা : জম্মু-কাশ্মিরের চলমান পরিস্থিতিতে ভারত-পাকিস্তান ডেভিস কাপ ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। সেপ্টেম্বরের ১৪ ও ১৫ তারিখ ইসলামাবাদে দুই দেশের মধ্যে টেনিস টুর্নামেন্ট হওয়ার কথা ছিল। এখন আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশনের কাছে নিরপেক্ষ দেশে ডেভিস কাপ আয়োজনের জন্য আবেদন জানানোর কথা বিবেচনা করছে ভারতের টেনিস ফেডারেশন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারতীয় টেনিস সংস্থার সচিব হিরণ¥য় চট্টোপাধ্যায় বলেন, পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নিচ্ছে, তা দেখার জন্য দু-একদিন অপেক্ষা করব আমরা। তবে আমরা নিরপেক্ষ ভেনুতে ম্যাচ করার জন্য আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশনের কাছে আবেদন করব।
সর্বশেষ পরিস্থিতি : শ্রীনগরে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে এক বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর ১২ জন নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র উল্লেখ করেছে। জম্মু-কাশ্মিরজুড়ে রাজনৈতিক নেতাসহ ৪০০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেফতার করার খবর পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে, কাশ্মিরে কমপক্ষে ছয়জন হাসপাতালে ভর্তি। তাদের শরীরে গুলির ক্ষত পাওয়া গিয়েছে। কাশ্মিরে এখনো অব্যাহত আছে ১৪৪ ধারা। তবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করছে, কাশ্মিরের পরিবেশ শান্ত রয়েছে।
জম্মু-কাশ্মির আমাদের দেশের মুকুট : জম্মু-কাশ্মিরকে কেন্দ্র করে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দেয়ার পর জাতির উদ্দেশে দেয়া প্রথম ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, জম্মু-কাশ্মির আমাদের দেশের মুকুট। বাতিল করে দেয়া আর্টিক্যাল ৩৭০-এর ব্যাপারে তিনি বলেন, এর দ্বারা কাশ্মিরের মানুষের কী লাভ হয়েছিল? আর্টিকেল ৩৭০ ও ৩৫-এর জন্য আতঙ্কবাদ আর পরিবারবাদের রাজত্ব চলছিল কাশ্মিরে। এ ছাড়া আর কোনো লাভ হয়নি।
এক্ষেত্রে ভারতবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে মোদী বলেন, জম্মু-কাশ্মির ও লাদাখে এক নতুন যুগের শুরু হলো। ওই অঞ্চলের মানুষ অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হত, যা তাদের উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। এখন দেশের সব নাগরিকের দায়িত্ব ও অধিকার সমান। সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, জম্মু-কাশ্মির ও লাদাখের বাসিন্দাদের যে স্বপ্ন ছিল, তা পূরণ করা হয়েছে। আমরা সবাই মিলে সেই স্বপ্ন পূরণ করব। কোনো প্রকল্প থেকে তারা বঞ্চিত হবেন না। লাদাখের মানুষের ভালো শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, যোগাযোগব্যবস্থা মিলবে। লাদাখ হবে দেশের সবচেয়ে বড় পর্যটনস্থল।
জম্মু-কাশ্মিরের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ব্যাপারে মোদি বলেন, আপনাদের জনপ্রতিনিধি আপনারাই বেছে নেবেন। আগের মতোই মন্ত্রিসভা ও মুখ্যমন্ত্রী হবে। দ্রুত জম্মু-কাশ্মির ও লাদাখে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি পদে নিয়োগ দেয়া হবে।
৩৭০ ধারার ব্যাপারে তিনি বলেন, এ ধারার জন্য গত ৩ দশকে ৪২ হাজার নির্দোষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
সাম্প্রতিক ১৪৪ ধারার বিষয়ে চলমান উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা ঈদে ঘরে ফিরতে চান, তাদের সব রকম সাহায্য করবে সরকার। এ অঞ্চলের মানুষের ঈদ পালন করতে যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, তার জন্য সব রকম ব্যবস্থা করা হবে।
জম্মু ও কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা খারিজ করা এবং লাদাখকে বিচ্ছিন্ন করে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করার বিতর্কিত ও সমালোচিত পদক্ষেপের পর গতকাল বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা হয় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন মোদি। কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট সময় জানা যাচ্ছিল না। পরে অল ইন্ডিয়া রেডিওর টুইটে বলা হয়, বিকেল ৪টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই সেই টুইট আবার ডিলিট করে দেয়া হলে বিভ্রান্তি ছড়ায়। পরে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানায়, স্থানীয় সময় রাত ৮টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। টিভিতে সম্প্রচার হবে সেই ভাষণ। এর আগে ২৭ মার্চ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ওইদিন ভারতের উপগ্রহ ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র (এ-স্যাট) প্রদর্শন উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিয়েছিলেন তিনি।

ফেসবুক মতামত

সর্বশেষ খবর

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com