বুড়িচংয়ে নৌবাহিনীর সদস্যকে হত্যা | Ekushey Bangla | একুশে বাংলা

বুড়িচংয়ে নৌবাহিনীর সদস্যকে হত্যা

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের ভানতি গ্রামে নৌবাহিনীর সদস্যকে রাতের আধাঁরে কে বা কারা হত্যা করে গোমতী নদীর পাশে ফেলে রাখার খবর পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে বুড়িচং থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,গত ২১ ফেব্রুয়ারী রাতে উপজেলার ভানতি গ্রামের মোঃ সফিকুল ইসলামের ছেলে নৌবাহিনীর সদস্য মোঃ মেহেরাব হোসেন ছুটিতে বাড়িতে আসার পথে আলেখারচর বিশ^রোড থেকে তার মায়ের কাছে মোবাইল ফোনে জানায় যে, সে বাড়ীতে আসার জন্য বিশ^রোড থেকে সিএনজিতে উঠেছে। কিন্ত বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় তার মা ও বড় ভাইয়ের স্ত্রী তাকে খুঁতে বের হয়। অপর দিকে স্থানীয় মেম্বার মোঃ কামাল হোসেন তার পুকুর থেকে মাছ ধরে ফেরার পথে গোমতী নদীর বেড়িবাঁধে দুটি ব্যাগ দেখতে পেয়ে তা স্থানীয় মসজিদের বারান্দায় রাখার জন্য মাছ ধরার শ্রমিকদেরকে বলেন।
ষোলনল ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান মেম্বার মোঃ কামাল হোসেন জানান, তিনি ২০ফেব্রুয়ারী রাত প্রায় ৩টা সময় জেলের নিয়ে তার পুকুর থেকে মাছ ধরে বিক্রয়ের জন্য যাওয়ার পথে গোমতী নদীর বেড়িবাঁধে ২টি ব্যাগ দেখতে পায়। তখন তার সাথে থাকা মাছ ধরার শ্রমিকদের সাথে আলাপ করেন এতো রাতে এখানে কার ব্যাগ পড়ে আছে। যাও এগুলোকে মসজিদের বারান্দায় রেখে আস। এই মর্হুতে নিহত মেহরাবের মা ও বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে সাথে নিয়ে এসে বলে যে আমার ছেলে মেহরাব আসার কথা। এই ব্যাগ গুলিতো আমার ছেলের। তারা আত্মচিৎকার শুরু করে এক রকম পাগলের মতো হয়ে যায় এবং ছেলেকে খুঁজতে থাকে। তাদের আত্মচিৎকারে এলাকার লোকজন এসেও মেহরাবকে খুঁজতে থাকে। খুঁজাখুঁজির এক পর্যায় গোমতী নদীর কিনারায় মেহরাবের লাশ দেখতে পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে কামাল হোসেন মেম্বার বুড়িচং থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশটি উদ্ধার করে।
বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ আকুল চন্দ্র বিশ^াস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন লাশ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। তার গলা ও পেটে একাধিক ছুরির আঘাত রয়েছে। এখন তদন্ত চলছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ডিবি,পিবিআই ও বুড়িচং থানার ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রয়েছে।

ফেসবুক মতামত

সর্বশেষ খবর

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com