ঠান্ডা পানিতে ২০২২টি ডুব দিয়ে অভিনব কায়দায় বর্ষবরণ

ঠান্ডা পানিতে ২০২২টি ডুব দিয়ে অভিনব কায়দায় বর্ষবরণ

লালবাঁধে ডুব দিচ্ছেন সদানন্দ দত্ত। ছবি: সংগৃহীত।

নতুন বছরের প্রথম দিনে শীতে কাঁপছে বাঁকুড়া। ঠিক সেই সময়ে অবাক কাণ্ড ঘটালেন বিষ্ণুপুরের সদানন্দ। ইংরেজি ২০২২ সালকে বরন করতে ঠান্ডা পানিতে টানা ৪৫ মিনিট ধরে ২০২২টি ডুব দিলেন যুবক। এমনই দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ার বাসিন্দা সদানন্দ দত্ত।
আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে জানায়, শনিবার (১ জানুয়ারি) নববর্ষকে স্বাগত জানাতে বিষ্ণুপুরের লালবাঁধের হিমশীতল পানিতে পরপর ২০২২ টি ডুব দিয়েছেন সদানন্দ নামে এক যুবক। যতদিন বাঁচবেন ততদিন এভাবেই বর্ষবরন করবেন বলে মনস্থির করেছেন তিনি।
সদানন্দ জানিয়েছেন, পাঁচ বছর আগে তার মাথায় আসে পানিতে ডুব দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করার। কিন্তু কতটা ডুব দিলে তা সম্ভব, সে তথ্য জানা নাই তার।
এরপর তিনি মনস্থির করেন, সালের সংখ্যার ধরেই ডুব দেবেন। সেই থেকে প্রতি বছর ডুব দিয়ে আসছেন তিনি। এবারো তার ব্যতিক্রম হয়নি।
শনিবার ২০২২ সালের প্রথম দিনে পরপর ২০২২টি ডুব দেন সদানন্দ। মল্ল রাজাদের স্মৃতি বিজড়িত লালবাঁধের পাড়ে দাঁড়িয়ে সদানন্দের এই অভিনব কায়দায় বর্ষবরণ উপভোগ করছেন বিষ্ণুপুরের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পর্যটকরাও।
সদানন্দ বলেন, আমি যত দিন বাঁচব, তত দিন আমি এই ভাবেই বর্ষবরণ করে যাব। প্রতি বছর বিষ্ণুপুর শহরের মানুষ এবং পর্যটকরা এটা দেখতে আসে। আমাকে উৎসাহ দেয়। এটাই আমার প্রেরণা।
বিষ্ণুপুরের বাহাদুরগঞ্জের বাসিন্দা সদানন্দের সাথ লালবাঁধের সম্পর্ক সেই ছোটবেলা থেকে। সদানন্দের সাঁতারের দক্ষতা দেখে তাকে বিষ্ণুপুর পৌরসভা নিজস্ব সুইমিং পুলে অস্থায়ী প্রশিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেয়। কিন্তু করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় বছর দেড়েক আগে সুইমিং পুল বন্ধ হয়ে যায়। সে কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েন সদানন্দ।
কাজ হারালেও লালবাঁধের সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন হয়নি সদানন্দের। হাড়কাঁপানো শীত বা প্রখর গ্রীষ্মে এখনও নিয়মিত লালবাঁধে হাজির হয়ে সাঁতারের নানা কৌশল অনুশীলন করেন বলে জানিয়েছেন সদানন্দ।
আরও পড়ুন- ঘুড়িচালিত নৌকায় ২৫ দিনেই আটলান্টিক জয় পর্তুগিজের
এনবি/

সুত্রঃ যমুনা টিভি

  • শেয়ার করুন
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com